সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কাকে বলে? এর গুরুত্ব কি


সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলতে গুগোল, ইয়াহু, বিং, yandex ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিনে কোন একটি অনলাইন কনটেন্টকে প্রথমদিকে দেখানোর চেষ্টা করাকে বোঝায়। শুধু ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে কোন কনটেন্টকে সার্চ রেজাল্টে উপরে তোলা সম্ভব না। সব সার্চ ইঞ্জিনই চেষ্টা করে সবচেয়ে মাণসম্মত লেখা, ভিডিও, ছবি বা, যেকোন ধরণের কনটেন্ট প্রথমে দেখাতে। 

এস ই ও এর গুরুত্ব

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে সংক্ষেপে এস ই ও বলা হয়। কোন ওয়েবসাইটকে শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেশী মানুষের কাছে পৌছানো সম্ভব না। ভালো কনটেন্ট তৈরি করার পরে যদি গুগোল সার্চে সেটি না আসে তাহলে অপেক্ষাকৃত খারাপ কনটেন্ট নিয়েও আপনার প্রতিযোগী আপনার চেয়ে গুগোল সার্চে উপরে থাকতে পারে। 
গুগোল চেষ্টা করে সবচেয়ে ভালো লেখাকে সবার উপরে দেখাতে, এজন্য তারা ২০০ বা, তারও বেশী ফ্যাক্টরের উপর ভিত্তি করে কোন লেখাকে আগে দেখাবে সেটা ঠিক করে। আমাদের উচিত এই কাজে গুগোলকে সাহায্য করা(নিজেদের স্বার্থেই)
নিচের লেখাগুলো পড়ুন, কাজে লাগবে-



বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগোল, অন্যগুলো প্রায় চলে না বললেই চলে। তবে ইংরেজী কনটেন্ট তৈরি করলে Bing, Yahoo, Yandex এগুলো মাথায় রাখতে পারেন। ইউটিউব ভিডিও বা, ফেসবুক পোস্টও দেখবেন অনেক সময় সার্চে আগে চলে আসে(ঐ ২০০  ফ্যাক্টরের কারণে)। 
এই পোস্টে এস ই ও কিভাবে করতে হয় সেটা নিয়ে আমরা কোন আলোচনাই করবো না, সেটি পরে বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে জানানো হবে
তবে এখন  শুধু অন পেজ, অফ পেজ, হোয়াইট হ্যাট আর ব্ল্যাক হ্যাট সম্পর্কে ধারণা দেই। যে কাজগুলো নিজের ওয়েব পেজে করতে হয় সেগুলোকে বলা হয় অন পেজ এস ই ও, যে কাজগুলো অন্য পেজে করতে হয় সেটাকে বলা হয় অফ পেজ এস ই ও। আর, হোয়াইট হ্যাট বলতে সঠিক পদ্ধতিতে SEO করাকে বুঝায়, ব্ল্যাক হ্যাট বলতে গুগোলের বা, অন্য সার্চ ইঞ্জিনের এলগরিদমের কোন ফাকফোকর খুজে বের করে সহজে দুই নম্বরি করে সার্চে কোন রেজাল্ট আগে আনাকে বুঝায়(এটির ফল ভবিষ্যতে ভালো হয় না)। 

একটি ওয়েব পেজ যত দ্রুত লোড হবে সেটি আগে দেখানোর সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে, তাই এমন হোস্টিং নেয়ার চেষ্টা করবেন যেটাতে দ্রুত সাইট লোড হয়। আরেকটি তথ্য বিজ্ঞদের জন্য, গুগোল কিন্তু JavaScript ও বোঝে, তবে সাধারণ HTML এর চেয়ে এটিকে র‍্যাংক করতে একটু বেশী সময় নেয়। 

No comments:

Post a Comment