Tuesday, July 23, 2019

গুগোল এডসেন্স পাওয়ার সহজ উপায়- ইউনিক আর্টিকেল লিখুন


গুগোল এডসেন্স পেতে হলে একটা সময় ইংরেজী আর্টিকেল লিখতে হতো, এখন বাংলাতে লিখেই এডসেন্স পাওয়া যাচ্ছে। এই লেখাটিতে আমি এডসেন্স পাওয়ার উপায় আপনাদের জানাবো। পুরো ব্যাপারটিকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করি-

প্রথম ধাপঃ একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট থাকা লাগবে, না হলে কিসের জন্য এডসেন্স নেবেন(ইউটিউব চ্যানেল থাকলেও হোস্টেড এডসেন্স পেতে পারেন)।গুগোলের ব্লগারে একটি ব্লগ খুলে নিতে পারেন(হোস্টিং কিনে ওয়ার্ডপ্রেসেও ব্লগ খুলতে পারেন)। ডোমেইন .blogspot হলেও হবে, চাইলে টপ লেভেল যেকোন ডোমেইন কিনে নিতে পারেন, সেটি আপনার সাইটের এডসেন্স পাওয়া সহজ করে দেবে। 
যদিও এডসেন্স পাওয়ার কথা বলছি, এটি কেজি দরে আম-আপেলের মত কিনে খাওয়ার জিনিস না। এডসেন্স এর মালিক গুগোল, আপনি তাদের সাথে Partner হিসেবে চুক্তি করবেন। যা বলছি সব তাদের পার্টনার হওয়ার শর্ত

দ্বিতীয় ধাপঃ ৫০০+ শব্দে ১০ টি ইউনিক আর্টিকেল লিখে ফেলুন। কোন ধরণের কপি করার চেষ্টা করবেন না। ইংরেজী থেকে অনুবাদ না করলেও ভালো হয়। কনটেন্ট ইজ দ্যা কিং- এগুলোই আপনার গুগোল সার্চে ভিজিটর বাড়ানোসহ সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে। তাই, এমনিতেই আপনার সবসময় মনঃযোগ দিয়ে লেখা উচিত। 

তৃতীয় ধাপঃ আপনার সাইট যদি ব্লগস্পটে হোস্ট করা হয় তাহলে সুন্দর দেখে একটি কাস্টম থিম লাগিয়ে দিন, আখেরে মঙ্গল হবে। সাইটের স্পিড যাতে ভালো থাকে সেটা খেয়াল রাখবেন, অযথা ভারী করে ফেলবেন না। মেনু, সাইডবার সব ঠিকঠাক করে ফেলুন যাতে দেখতে ভালো লাগে। 

চতুর্থ ধাপঃ গুগোল ওয়েবমাস্টারে সাইট সাবমিট করে দিন। ৮-১০ দিন অপেক্ষা করুন। এর মাঝে আরো কিছু আর্টিকেল লিখে ফেলতে পারেন। একটি ফেসবুক পেজ, একটি টুইটার একাউন্ট তৈরি করে ফেলতে পারেন। কিছু সাইটে গেস্ট পোস্ট করে সেখান থেকে প্রাসঙ্গিক কিছু ব্যাকলিংক আনতে পারেন। এরপর দেখবেন আপনার সাইট সার্চে আসছে, ভিজিটর আসছে।

পঞ্চম ধাপঃ এবারে এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করে ফেলুন- এই যে লিংক । কয়েকদিন অপেক্ষা করুন, আশা করছি হতাশ হবেন না।এডসেন্স পেয়ে গেল মানে আপনি কোটিপতি হয়ে গেলেন ব্যাপারটা এমন না মোটেও। মনঃযোগ দিয়ে লিখতে থাকুন, শিখতে থাকুন আপনাকে দিয়ে হবে। 

অঘোষিত কিছু সত্যঃ ব্লগস্পটের চেয়ে ওয়ার্ডপ্রেসের(হোস্টিং কিনে যেগুলো বানানো হয়) সাইট বেশী এডসেন্স পায়, ফ্রি ডোমেইন নামের চেয়ে টপ লেভেল ডোমেইন এবং ব্লগারের ডিফল্ট থিমের চেয়ে কাস্টম থিমের ব্লগগুলোতে বেশী এডসেন্স পার্টনার দেখা যায়

উপরে যেগুলো বললাম সব কিছুর চেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে ইউনিক কনটেন্ট আর ভিজিটর। এডসেন্স এর পার্টনার হওয়া খুবই সহজ, যারা সোনার হরিণ বলেন তারা মিথ্যা বলেন। বাংলা সাইটেও এখন কোন সমস্যা না।  

Monday, July 22, 2019

টরেন্ট কিভাবে কাজ করে? অনেকেই এটা জানেন না


প্রথমেই বলে নেই টরেন্ট কি এরপর বলব টরেন্ট কিভাবে কাজ করে। আমরা যখন কোন কিছু ডাউনলোড করি তখন কম্পিউটার বা, মোবাইল বা, অন্য কোন ডিভাইস ব্যবহার করে ডাউনলোড করি এবং আমাদের ডিভাইসের মেমরিতে ফাইল এসে জমা হয়। কোন ওয়েবসাইট থেকে কিছু ডাউনলোড করলে সাধারণত সেই ওয়েবসাইটের সেন্ট্রাল সার্ভার থেকে সেই ফাইল ডাউনলোড হয়। যেমনঃ Mediafire, Dropbox, Googledrive এগুলো থেকে আমরা অনেক কিছুই ডাউনলোড করি। 
সাধারণ অর্থে Torrent বলতে কোন তরলের দ্রুতগামী স্রোতকে বুঝায়। আমরা ইন্টারনেটে টরেন্ট বলতে ডাটা ট্রান্সফারের স্রোতকে বুঝাই। টরেন্টের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা ডিভাইসই হোস্ট সার্ভার হিসেবে কাজ করে। একটা জায়গা থেকে সব ডাউনলোড হয় না- আপনার কম্পিউটার থেকে হয়, আমার কম্পিউটার থেকে হয়। আমরা একইসাথে আপলোড এবং ডাউনলোড করি


টরেন্ট ব্যবহার কি বৈধ

হ্যাঁ, পুরোপুরি বৈধ। এটি কোন অপরাধ নয় যদি আপনি কোন কপিরাইটেড ফাইল টরেন্টের মাধ্যমে দেয়া নেয়া না করেন। সদ্য রিলিজ পাওয়া মুভি  ডাউনলোড (যা শুধু হলে চলার কথা), প্রিমিয়াম সফটওয়্যার ফ্রিতে নেয়া এগুলো অবৈধ। শুধু টরেন্ট না, পেনড্রাইভ দিয়ে বন্ধুর কাছ থেকে এইসব জিনিস নেয়াও অবৈধ- শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 
কিভাবে টরেন্ট ব্যবহার করছি তার উপর নির্ভর করে আমরা অপরাধ করছি কি না। 

Utorrent, Bittorrent ইত্যাদি টরেন্ট ক্লায়েন্ট রয়েছে, এইসব সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি টরেন্টের মাধ্যমে ফাইল দেয়ানেয়া কররে পারবেন। মনে রাখবেন, এগুলো সবই বৈধ যদি কপিরাইটেড কোন ম্যাটেরিয়াল আদান-প্রদান না ঘটে। 

Seeders, Leechers এই শব্দগুলো কি বুঝায়?

যারা ফাইল আপলোড করছে তাদের বলা হয় Seeders আর যারা আপলোড করছে তাদেরকে বলা হয় Leechers. টরেন্টবিডি এবং অন্যান্য আরো অনেক টরেন্ট সাইট আছে যেখানে এই শব্দগুলো দেখা যায়। আমি আশা করবো আপনারা এখান থেকে কপিরাইটেড কোনকিছু আদান-প্রদান করবেন না। 

অনেক সময় আমরা প্রলোভনের ফাদে পা দিয়ে ভাইরাস ডাউনলোড করি যা আমাদের উইন্ডোজ পিসির জন্য ক্ষতিকর, তাই দেখেশুনে ব্যবহার করবেন। 
সবশেষে, নতুন আর কিছু বলবো না। আমি আপনাদের কোন টরেন্ট লিংক দেবো না, তবে টরেন্ট সিড কি সেটা নিয়ে তো আলোচনা করলামই। কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন, কমেন্ট বক্স সবার জন্য খোলা। 

ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়- ভিউয়ার থাকলেই আয় হবে


ইউটিউব থেকে আয় করা যায় একথা আপনারা সবাই জানেন। আজকের এই পোস্টে আয় করার উপায় জানাবো। যদি পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পারেন তাহলে এই প্রশ্ন আপনার মনে থাকবে না। ভিউয়াররা ইউটিউবের ভিডিও দেখে(আপনার ভিডিও ভালো লাগলে দেখবে), তাদেরকে এড দেখিয়ে গুগোলের আয় হয় এবং সেখান থেকে একটি অংশ যে ভিডিওটি তৈরি করেছে তাকে দেয়া হয়। 

এখন আমি আপনাদেরকে সংক্ষেপে পুরো ব্যাপারটি বলতে যাচ্ছি। আশা করি পুরো লেখাটা পড়বেন। 


কত ভিউ, সাবস্ক্রাইবার থাকলে মনিটাইজেশন অন করতে পারবো?

একসময় কোন ভিউ, ওয়াচ টাইম, সাবস্ক্রাইবার এইসব শর্ত ইউটিউবে ছিল না- এখন এসেছে। মানুষ যা ইচ্ছা আপলোড করতো- কমিউনিটি গাইডলাইন, কপিরাইট এগুলোর তোয়াক্কা না করে যা রীতিমত অপরাধ। 
প্রথমে, ইউটিউব শর্ত দিল ১০০০০ ভিউ থাকলে সে Monetize করতে পারবে। এটাতেও ওরা ঠিকমতো বাটপারদের সাথে পেরে উঠছিল না, তাই নতুন শর্ত আরোপ করে। Account Monetization নামে ইউটিউবের ব্লগে একটি লেখা আছে সেটি পড়ে নেবেন তাহলে এখনকার শর্ত খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।  আপনাদের সুবিধার্থে আমি বলে দিচ্ছি-
  • আপনার একাউন্টে বিগত ১২ মাসে ৪০০০ ঘন্টা ভিউ থাকতে হবে
  • কমপক্ষে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে
এই দুই শর্ত পূরণ করলেই চ্যানেল মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং আশা করা যায় পেয়েও যাবেন। 
অন্যের নাটক, গান এইগুলো দিয়ে চ্যানেল বানালে পাবেন না। লাইভ ক্রিকেট খেলা দেখানো-এই সব বাদ দিয়ে ইউনিক কিছু নিজে বানান, মাণ খারাপ হলেও যদি লোকে দেখে তাহলে সেটা থেকে আয় করতে পারবেন। 

এডসেন্স এর টাকা কিভাবে পাব, আমার তো ব্যাংক একাউন্ট নেই

এইসব চিন্তা আপাতত বাদ দেন। আপনার টাকা গুগোল এডসেন্স এ জমা হলে সেই টাকা তুলতেও পারবেন(রকেটের মাধ্যমেও তোলা যায়)। অনেক পরের ব্যাপার এগুলো। কিভাবে ভিউয়ার বাড়াতে পারেন, Watch Time বাড়াতে পারেন সেটাতে মনঃযোগ দেন। 


ইউটিউবের ভিডিওতে কেন টাকা দেয়?

এটা কি কখনো ভেবে দেখেছেন। মনে করুন আপনি যেকোন বিষয়ে ভিডিও তৈরি করলেন, প্রচুর লোকজন দেখছে। Associate Adsense Account -এখান থেকে আপনার ইউটিউব চ্যানেলকে এডসেন্স এর সাথে যুক্ত করলে আপনার চ্যানেল এড দেখানোর উপযোগী হবে যদি শর্ত(Monetization এর শর্ত) পূরণ করেন। এরপর গুগোলের বিজ্ঞাপন আপনার ভিডিওর মাঝে আর সাইডবারে দেখাবে। আমরা যখন এই এডগুলো দেখি তখন সেই এডে ক্লিক করে পণ্য সম্পর্কে জেনে নেই আর বাজার থেকে সেই পণ্য কিনি। এই কারণেই ওরা গুগোলকে টাকা দেয় ঐ বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য। আপনি একটা অংশ পান গুগোলের কাছ থেকে। 

হতাশাজনক হলেও সত্যি- বাংলাদেশের মানুষের ভিউতে কম টাকা এডসেন্সের মাধ্যমে পাওয়া যায়। Youtube Creator বা, বাংলা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সবাই কম টাকা পান। এর কারণ বাংলা কনটেন্টে যে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সেগুলোতে বিজ্ঞাপনদাতারা কম খরচ করে(ওদেরও লাভ কম বলে)। উন্নত দেশের লোকজন যদি আপনার কনটেন্ট দেখে আপনি স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশী টাকা আয় করতে পারবেন।
  

Sunday, July 21, 2019

বাংলায় লিখে আয়- বাংলা আর্টিকেল লিখেও আয় করা যায়?


আপনারা যারা বাংলায় আর্টিকেল লিখতে চান বা, ব্লগে লিখছেন তাদের জন্য এই লেখাটি। আয় করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। আপনি যেকোন পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন-
  1. এড দেখিয়েঃ এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে অনেকেই আয় করে থাকেন। বাংলা ওয়েবসাইট বা, ব্লগগুলোর আয়ের প্রধান কিংবা, বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই একমাত্র মাধ্যম এড দেখানো। এডসেন্স এর এড দেখিয়ে অনেকেই আয় করছেন। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে জনপ্রিয়তা।প্রতিদিন ১৫০০-২০০০ জন আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করলে ৩-৪ ডলার আশা করতেই পারেন(নির্দিষ্ট কোন এমাউন্ট নেই, কে দেখছে, কি দেখছে তার উপর নির্ভর করে)। 
  2. এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে: অন্য কারো পণ্য আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যদি বেচে দিতে পারেন। তাহলে ওরা ওদের আয়ের একটা অংশ আপনাকে দেবে। বাংলাদেশে দারাজ, পিকাবো, বাগডুমসহ অনেক ওয়েবসাইট এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে দেয়। ডোমেইন-হোস্টিং প্রভাইডারদের তো সবাই চায় আপনি তাদের প্রডাক্ট বিক্রি করে দিন।
  3.  নিজের প্রডাক্ট বিক্রি করেঃ কেউ যদি চিন্তা করেন বিক্রিই তো করবো, তো নিজের পণ্যই বিক্রি করি না কেন। অনলাইনে নিজেই একটা বইয়ের দোকান বা, ইলেকট্রনিক্সের দোকান দিয়ে দেই। সেভাবেও আপনি আয় করতে পারেন।
এই লেখাটি যারা পড়ছেন তাদের সম্ভবত ব্লগিং ছাড়া অন্যান্য পদ্ধতি খুব একটা যুতসই বলে মনে হচ্ছে না। গল্প-কবিতা এগুলো যদি লিখতে পারেন, তাহলে গল্প দিয়ে একটা ব্লগ শুরু করে দিন- আমার মনে হয় ভালো সফলতা পাবেন। এখানে প্রতিযোগিতা কম, ভিজিটর বেশী- ব্লগারদের ভিজিটর থাকলে আয়ও বেশী হয়। 
ব্লগস্পট নাকি ওয়ার্ডপ্রেসঃ পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেস। এখানে ডোমেইন, হোস্টিং এর জন্য টাকা লাগে। অনেক সময় কম টাকায় খারাপ হোস্টিং নিয়ে বিপদে পড়তে হয়। বাংলাদেশী যারা ফ্রিতে লেখালেখি করে দু পয়সা রোজগার করতে চান তাদের জন্য ব্লগস্পটই ভালো হবে। 

নির্দিষ্ট বিষয় বেছে নিয়ে সেই বিষয়ের সাথে মিল রেখে ডোমেইন নাম নেবেন এবং ওয়েবসাইটের লেখাগুলোও সবসময় ঐ বিষয়ে রাখার চেষ্টা করবেন, একটি ফেসবুক আর একটি টুইটার পেজ খুলবেন ওয়েবসাইটের নামে। ডোমেইন নেম ফ্রিতে নেন আর টাকা দিয়ে কিনে নেন এটা বড় কোন ব্যাপার না(গুগোল সার্চে আসবে কি না সেটা এই বিষয়ের উপর নির্ভর করে না, অন্তত গুগোল নিজেই তাই বলে)। 

Monday, March 25, 2019

মিসর- আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশের নাম

মিসর উত্তর- পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ। দেশটির রাজধানী কায়রো, এর প্রাচীন একটি নাম ছিলো কমেট(বা, কেমেত) যার অর্থ কালো মাটির দেশ। এর রাষ্ট্রীয় নাম মিসরীয় আরব প্রজাতন্ত্র। একটা অদ্ভুত ব্যাপার কায়রোর বাইরের অধিবাসীরা মিসর বলতে কায়রোকে বুঝায়। 

মিসর এর জাতীয় সংগীত

আমার একটা বদভ্যাস আছে, বিভিন্ন দেশের জাতীয় সংগীত শোনা। বিভিন্ন দেশ পরিচিতি পর্বে আপনাদের প্রত্যেক দেশের বর্ণনার সাথে জাতীয় সংগীতও শোনাবো। চলুন মিসরের জাতীয় সংগীত শুনে নেই-
উর্বর ভূমিঃ নীলনদের পলির কারণে মিসরের জমি খুবই উর্বর। কালো মাটি নীলনদ থেকেই আসতো। 

নামকরণঃ এই দেশের বর্তমান নাম মিসর এর অর্থ যে দেশে সরকার ও আইনকানুন আছে। কুরআনেও এই শব্দটির উল্লেখ আছে। 

ভাষাঃ  এখানকার প্রধান ভাষা আরবি, এছাড়া আরমেনীয়, গ্রীক, নীলনুবীয়, দোমারি, কপ্টীয় এবং ইংরেজী ভাষা এলাকাভেদে প্রচলিত আছে। 

ইজিপ্টকে কেন মিসর বলা হয় এই প্রশ্ন সবার মনেই উকি দিচ্ছে। গ্রীকরা এই দেশটিকে Aigyptos নামে ডাকতো। সেটি বিভিন্ন দেশে বিবর্তিত হয়ে ইংরেজীতে Egypt নামটি দাঁড়িয়ে গেছে। 

বিসিএস এর একটি প্রশ্নঃ 
  • মিসর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলো কত সালে?

    উত্তরঃ ১৯৫৬ সালে


তথ্যসূত্রঃ
  1. https://www.britannica.com/place/Egypt
  2. https://www.quora.com/Why-do-we-call-Egypt-Egypt-instead-of-Misr
  3. https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%B0
  4. https://www.somewhereinblog.net/blog/main10/29747777/?time=15535339551945430275ac547f2c25b32e6d04b051876c8b

Wednesday, March 6, 2019

ইউটিউব কি- আশ্চর্য্যজনক হলেও সত্যি অনেকের ভূল ধারণা আছে

ইউটিউব কি?

ইউটিউব কি- একবাক্যে যদি এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় তাহলে বলতে হবে এটি একটি অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে জনপ্রিয়তার বিনিময়ে টাকা আয় করাও সম্ভব। এই মুহুর্তে এটি সম্ভবত বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম(আমি টেলিভিশনের চেয়ে এটাকে এগিয়ে রাখছি- আপনাদের দ্বিমত থাকতেই পারে)

ইউটিউবে ভিডিও দেখার পদ্ধতি

কথাটা শুনে আপনি অবাক হলেও বেশীরভাগ ভিজিটরই ভিডিও দেখে বিভ্রান্ত হন। যেমনঃ মোশাররফ করিমের নতুন নাটক লিখে সার্চ দিয়ে সিলেক্ট করে দিলেন This Week- আর আপনার ৫ বছর আগে দেখা নাটকটি চলে আসলো। এখানে আপনি বা, ইউটিউব কেউই ভূল করেনি।
কিছু প্রতারক আছে যারা টাকার লোভে চ্যানেল খুলে সেখানে অন্যদের জনপ্রিয় ভিডিও আপলোড দেয়। যাদের Youtube ধরতে পারে, সেইসব চ্যানেল বন্ধ করে দেয়। তাই এইসব চ্যানেল না দেখে ভেরিফাইড ব্যাজ আছে এরকম চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইব করে রাখবেন। তাহলে, আসল চ্যানেলের সঠিক কনটেন্ট দেখতে পাবেন। যেমনঃ ইত্যাদি দেখতে চাইলে Fagun Audio Vision ছাড়া অন্য কোন চ্যানেল দেখার কোন প্রয়োজন নেই।  জনপ্রিয় উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সেন্স অফ হিউমার দেখতে তার ভেরিফাইড চ্যানেলেই যাবেন- Shahriar Nazim Joy Show. আশা করা যায় আপনার পছন্দের সব চ্যানেলই খুঁজে পাবেন। 

ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে আয়ের পদ্ধতি কি?

এটা নিয়ে পরে বিস্তারিত বলা যেতে পারে। আপাতত সংক্ষেপে বলি। প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান বা, চ্যানেল যেমন ইউটিউবে নিজেদের চ্যানেল খুলতে পারে- তেমনি কিন্তু আমি বা, আপনিও একটি চ্যানেল খুলে সেখানে যা ইচ্ছা(নিজে তৈরি করে- কপি না করে) আপলোড করতে পারি। সাবিনা ইয়াসমিনের গানের ভিডিও বা, আবু হেনা রনির কমেডি প্রচার করে আয় করার অধিকার শুধু তাদেরই  আছে। মনে করুন আপনি ভালো গান করেন বা, বাঁশি বাজাতে পারেন- সেটা আপলোড করে দিতে পারেন। 
ইউটিউবের বর্তমান শর্ত অনুযায়ী ১ বছরে ৪ হাজার ঘন্টা Watch Time এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকলে আপনি সেই ভিডিওতে এড দেখিয়ে আয় করতে পারবেন। এই শর্ত কোন অযৌক্তিক শর্ত না- এর কম ভিউ হলে আপনার যা আয় হত তা পেতে ২০ বছর লেগে যেত। মাণই আসল- সেটা লেখা বা, ভিডিও যাই হোক না কেন। ইউটিউবিং করার ইচ্ছা থাকলে যা করতে ভালোবাসেন সেই বিষয় নিয়ে করুন(টাকা/সাবস্ক্রাইবার  নিয়ে ভাবতে হবে না)।


টাকা পাবো কিভাবে- গাছে কাঠাল গোফে তেল

যারা এই প্রশ্ন করেন তাদেরকেই বলছি। এটা জনপ্রিয়তার বিনিময়ে টাকা আয়ের মাধ্যম- সেটা না চাইলে বিনোদন নেয়ার মাধ্যম। জনপ্রিয়তা থাকলে এডসেন্স,  এড, টাকা সব পাবেন(এগুলো বড় ব্যাপার না)। মানুষের পছন্দের কনটেন্ট আর জনপ্রিয়তাই আসল(মানেন বা, না মানেন মাণটা গুরুত্বপূর্ণ)। ডাচ বাংলা ব্যাংকের রকেট একাউন্ট বা, যেকোন ব্যাংক একাউন্ট থাকলেই টাকা পাওয়া যায়। যখন প্রথম জিনিস(জনপ্রিয়তা) পাবেন, এগুলো পেতে কষ্ট করতে হবে না।  

আজকে আর খুব বেশী লিখে লাভ নেই। যেকোন ধরণের প্রশ্ন থাকলে আমাকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন- চেষ্টা করবো উত্তর দিতে। ইউটিউব কি সেই প্রশ্নের উত্তর আশা করছি আপনারা পেয়েছেন। 

Saturday, February 9, 2019

ফাগুন হাওয়ায় চলচ্চিত্র- তৌকির আহমেদের নতুন সিনেমা

ফাগুন হাওয়ায় চলচ্চিত্র- তিশা এবং সিয়াম অভিনীত

পুরোপুরি ভাষা আন্দোলন নির্ভর প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র হতে যাচ্ছে ফাগুন হাওয়ায়।  সিনেমাটি মুক্তি পাবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। এটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ৮ ফেব্রুয়ারি, আমি জানি না কেন এটি ১৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তৌকির আহমেদের অজ্ঞাতনামা সিনেমাটি আমি ইউটিউবে বিভিন্ন চ্যনেলে আপলোড হতে দেখেছি। 
অজ্ঞাতনামার কারণে ফেসবুকে হালদার অনেক প্রচার হতে দেখেছি। আমি বৈধ উপায়ে ইউটিউবে অজ্ঞাতনামা সিনেমাটি দেখেছিলাম। কিন্তু যারা এটি আপলোড করেছিলেন তারা অবৈধ একটি কাজ করেছিলেন। আমি ফাগুন হাওয়ায় সিনেমাটি দেখতে হলে যাব। (তৌকির আহমেদ একটি টেলিভিশন শো তে তার শুভাকাংখীদের বলেছেন, সিনেমাটি প্রচার করতে- তাই এখানে প্রচার করতে উদ্বুদ্ধ হয়েছি।)

কোন কোন সিনেমা হলে ফাগুন হাওয়ায় সিনেমাটি দেখা যাবে

এই খবর এখনও আমি খুজে পাইনি, পেলেই এই পেজের মাধ্যমে আপনাদের জানানো হবে। আপাতত চলুন সিনেমার অফিসিয়াল Trailor দেখে আসি-
সিনেমার টিজারগুলো আমার ভালো লেগেছে। আমি হলে যাবো দেখতে। আরো কিছু কথা বলার ছিলো এরপর আরেকটি Teaser দেখাচ্ছি।

যারা বলেন- এটা সিনেমা না টেলিফিল্ম
অফট্র্যকের সবগুলো সিনেমার ক্ষেত্রে আপনারা এই কথা বলেন। জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল রানা বলেছিলেন - হুমায়ুন আহমেদ সিনেমার নামে রসগোল্লা বানান। আপনারা অন্যান্য দেশের সিনেমা এবং টেলিফিল্ম নিয়ে একটু খোঁজ নিয়ে দেখবেন। পৃথিবীর বিখ্যাত সিনেমা কোনগুলোকে বলা হয় সেটা একটু দেখে নেবেন। এযাবতকালের সেরা বাঙালী চলচ্চিত্রকার "সত্যজিৎ রায়" এর দু একটা সিনেমা দেখবেন। ১৯৬৫-১৯৭০ এর মধ্যে তিনি রঙ্গীন বাংলা সিনেমাও বানিয়েছেন। সেরা বাংলাদেশী চলচ্চিত্রকারের তকমা পাওয়া জহির রায়হানের সিনেমাগুলো একটু দেইখেন। 
এবার আরেকটা Teaser দেখেন-

ফাউ প্যাঁচাল বাদ দিয়ে "ফাগুন হাওয়ায়" কোন হলে মুক্তি পাবে বলেন

হ্যাঁ সেটাই বলতে চেয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি- আমি Facebook, Google এইসব খুজেও কোন হদিস পেলাম না। আবারো আশ্বাস দিচ্ছি। এই পেজেই সিনেমা মুক্তি পাওয়ার আগেই আপনাদের দেখিয়ে দেবো কোন কোন হলে মুক্তি পাচ্ছে। আগে আশ্বাস দিয়েছিলাম এবার নিচের ছবিতে দেখে নিন কোন কোন হলে সিনেমাটি চলছে-

মুম্বাই বা, বোম্বের ৯০ দশকের সিনেমার ভাবধারাপুষ্ট নকল সিনেমাগুলো আসলে সিনেমা না, নকল- দুই নম্বর জিনিস। একজন হিরো(জীবনে কোন খারাপ কাজ করবে না), একজন ভিলেন(ভালো কাজ করা তার কাজ না), হিরোর বন্ধু বলদ কমেডিয়ান(চার্লি চ্যাপলিনের মত না), এক দুইজন নায়িকা যাদের জন্য সারাবছর আল্লা বৈশাখ মাসের গরম দিয়ে রাখে। Come on- ২০১৯ সালে বসে নব্বই সালের বলিউডি সিনেমা যেটা থেকে ওরাও অনেকটা বেরিয়ে এসেছে, সেটাতে ফিরে যেতে চাওয়ার কোন যুক্তি নাই। আমরা দর্শকেরা সিনেমা দেখতে চাই, সোহেল রানার চটপটি খেতে সিনেমা হলে যাই না- ওটা রাস্তার পাশেই পাওয়া যায়(সেখানে আরাম করে খাই)। 

Tuesday, February 5, 2019

বিকাশে টাকা ইনকাম- নিয়ে নিন ২৫ টাকা খুব সহজে


বিকাশে টাকা আয় করার পদ্ধতি

আপনারা জানেন বিকাশে টাকা ইনকাম করার আসলে সুনির্দিষ্ট কোন পদ্ধতি নেই। আমি আপনাদেরকে একটি উপায়ের কথা বলতে যাচ্ছি যেটার মাধ্যমে বিকাশ এপ ডাউনলোড করে আপনি ২৫ টাকা পেয়ে যেতে পারেন। এটা বিকাশই আপনাকে দেবে ওদের এনড্রয়েড এপের প্রচারের স্বার্থে। 

বিকাশ ২৫ টাকা দিলে ওদের কি লাভ

অবশ্যই ওদের লাভ রয়েছে যেকারণে ওরা একজন ব্যবহারকারীকে ২৫ টাকা দিচ্ছে। আপনি জানেন হাজারে ওরা ১৮ টাকা করে নেয়। আর, আপনি জীবনে অনেক টাকাই লেনদেন করবেন, আমিও করেছি। এখানেই ওদের লাভ। এছাড়া এপের মাধ্যমে বিকাশ বা, ব্র্যাক ব্যাংকের অনেক বিজ্ঞাপন ওরা দিতে পারবে যেটা মোবাইলে কোড দিয়ে ঢুকলে পারবে না। এখন আমরা এই সুবিধাটা নেবো। 

বিকাশ এপ রেফারেল টি২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

এখন বিকাশের এপ রেফারেল টি২০ চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে। এর আওতায় যারা বিকাশ এপ ডাউনলোড করে লেনদেন করবে তাদেরকে ২৫ টাকা এবং যে রেফার করবে তাকে ২৫ টাকা দেয়া হবে। এপ ডাউনলোডের পর ক্যাশ আউট, ক্যাশ ইন বা, মোবাইলে টাকা রিচার্জে আপনার অতিরিক্ত কোন টাকা কাটবে না। শুধু ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই এপ ব্যাবহার করতে পারবেন- খুব বেশী ডেটা লাগে না। চলুন প্রক্রিয়া শুরু করি-


উপরের লিংক থেকে বিকাশ এপ ডাউনলোড করে নিন। আপনার মোবাইল নম্বর, ভেরিফিকেশন কোড, পিন নম্বর যা যা লাগে তাই দিয়ে এটা চালু করে নিন। এরপর এপ দিয়ে যেকোন নম্বরে ১০ টাকা রিচার্জ করলেই ২৫ টাকা পেয়ে যাবেন। কিংবা, যেকোন লেনদেনের জন্য একবারই এই টাকাটা আপনি ইনকাম করতে পারবেন। 

আপনি মিথ্যা বলছেন
আমি আপনাকে ঠকাতেই পারি। আমিতো আপনার পরিচিত কেউ না। বিকাশের এরকম একটা বিজ্ঞাপনও আছে। আমাকে অবিশ্বাস করার আগে নিজে যাচাই করে দেখতে পারেন। বিকাশের ওয়েবসাইট এবং এপে এই অফারটা এখনও চালু আছে। মিথ্যা যদি কেউ বলে সেটা বিকাশই বলছে, আমি না। 
আর হ্যাঁ। লিংক ছাড়া আলাদাভাবে Playstore এ ঢুকেও আপনি এপটা চালাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সম্ভবত টাকাটা পাবেন না। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে উপরের লিংক ব্যবহার করে এপটা ডাউনলোড করে- সেটা যেকোনভাবে ব্যবহার করে ২৫ টাকা নিয়ে নেয়া এবং এরপর আপনার নিজের রেফারেল লিংক আমার মত এরকম শেয়ার করে অন্যদের রেফার করে আরো কিছু টাকা নিয়ে নেয়া। 
আপনার আমার মত বিকাশও স্বার্থপর, ওরা ফ্রীতে এই ২৫ টাকা দিচ্ছে না। ওদের সার্বিক লাভের উদ্দেশ্যে দিচ্ছে। তবে আমার মত যারা নিয়মিত রকেট ব্যবহার করে হাজারে ১০ টাকা খরচে এখনও(এটা নিয়েও পরে এই ওয়েবসাইটে লেখা পাবেন), তারা বিকাশ ১ বার ই ব্যাবহার করবে। Sorry for Bkash.