রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০১৭

হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাস সিনেমা এবং অন্যান্য

বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ঐপন্যাসিকের নাম হুমায়ুন আহমেদ। কেবলমাত্র শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তাই তাঁর জনপ্রিয়তার সাথে তুলনীয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তাকেই শ্রেষ্ঠ লেখক বলে অনেকেই মনে করেন। কেউ কেউ জানেন না হয়ত, বাংলা কল্পবিজ্ঞান বা, সায়েন্স ফিকশন সর্বপ্রথম লিখেছিলেন হুমায়ুন আহমেদ। এর আগে অবশ্য সত্যজিত রায় প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রটি সৃষ্টি করেছিলেন, কিন্তু শঙ্কুসমগ্রকে সায়েন্স ফিকশন বলা উচিত কি না সেটা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। হুমায়ুন আহমেদের জীবনী নিয়ে তৈরি ভিডিও দেখে নিন-



উপরের ভিডিওতে একটা ভূল আছে। হুমায়ুন আহমেদ যে রোগে মারা গিয়েছিলেন সেটা "ক্লোন ক্যান্সার" না সেটা হবে "কোলন ক্যান্সার"। হুমায়ুনসৃষ্ট হিমু, মিসির আলী কিংবা শুভ্রকে আমরা আমাদের চিন্তাজগতের সাথে যতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করি অন্য কোন চরিত্রকে তেমনটা মনে হয় না। 
নাটক কিংবা চলচ্চিত্রের হুমায়ুনের আড়ালে লেখক হুমায়ুন হয়ত ঢাকা পড়ে না, কিন্তু রসায়নশাস্ত্রের প্রফেসর হুমায়ুন আহমেদকে পাঠকেরা অনেকেই হয়ত এখনো চেনেন না। যারা চিনতে আগ্রহী তারা "কোয়ান্টাম রসায়ন" নামে ডক্টর হুমায়ুন আহমেদের লেখা বইটা বাজারে খুজে দেখতে পারেন। 

হুমায়ুন আহমেদকে যারা অন্যসব বাজারি লেখকদের কাতারে যারা ফেলতে চান তারা হয়ত- শঙ্খনীল কারাগার, নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, আমিই মিসির আলীর মত আরো অনেক লেখাই পড়েননি। এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল রানা "হুমায়ুন আহমেদ" এর সিনেমাগুলোকে কটাক্ষ করে রসগোল্লা বললেও তাঁর বানানো রসগোল্লা আগুনের পরশমনি এবং ঘেটুপুত্র কমলা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার(তাঁর লেখা অন্যদের পরিচালনা করা সিনেমাগুলোর কথা নাই বললাম) পেয়েছিল। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন