শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৬

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলে তা কিসের জন্য হতে পারে



বিশ্বযুদ্ধ, ভয়াবহতা এবং শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো


প্রথম আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অপূরণীয় ক্ষতি পৃথিবীবাসীকে বিধ্বংসী অস্ত্র আর, ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে এখনো ভাবায়। রাশিয়া, আমেরিকা, চীন এদের মত শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোও তাদের শক্তি প্রদর্শনে আগের দিনগুলোর তুলনায় অনেকটাই মার্জিত।

পৃথিবীর সব বা, অধিকাংশ দেশই যে যুদ্ধে সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে সেই যুদ্ধকেই আমরা বিশ্বযুদ্ধ বলে থাকি। কেউ কেউ আবার বলে থাকেন সুপেয় পানি নিয়ে হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। আমাদের কলেজের সুজা স্যার(বৈশিষ্ট্যজ্ঞাপক সোজা কিংবা, সুজাউদ্দৌলার সুজা নয়) বলতেন- “পানি নিয়ে হবে তৃতীয় মহাযুদ্ধ এবং ঈস্ট খেয়ে মানুষকে জীবনধারণ করতে হবে”। 

১৯১৪ সালের জুলাই থেকে ১৯১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। দ্বিতীয়টা তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী- ৬ বছর ধরে চলেছে আর ক্ষয়ক্ষতিও বেশী হয়েছে। ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মিত্রশক্তি এবং অক্ষশক্তি তাদের ধ্বংসের ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে ভাবা হচ্ছে এরপর বিশ্বযুদ্ধ হবে আমেরিকা এবং ওদের মিত্র ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে রাশিয়া আর চীনের। সেখানে আরো অন্যান্য ছোটবড় দেশ অংশ নিতে পারে। আশা করি কখনোই সেটা দেখতে হবে না। 

পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা হিরোশিমা আর নাগাসাকির অধিবাসীরা এখনো ভোগ করছে। তৃতীয়বারের মত এই ধরণের কোন যুদ্ধ হলে পারমাণবিক শক্তিধর এতগুলো দেশের হাত গুটিয়ে বসে থাকার কথা না। জার্মানি কিংবা জাপানের মত অন্য দেশগুলোর খারাপ মানসিকতার পরিবর্তন হোক এই আশাই শুধু আমরা সাধারণ মানুষেরা করতে পারি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন