Wednesday, July 31, 2019

জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম ডাউনলোড করা যায় কিভাবে?

আপনার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করুন

জন্ম নিবন্ধন করাটা বিভিন্ন কারণে আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে অনেক কিছু করা যায়, কিন্তু এটি পেতেও জন্ম নিবন্ধন সনদের প্রয়োজন আছে। আমরা আপনাদের আবেদন ফরমের ডাউনলোড লিংক দিয়ে দেব যার মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। 

কি কাজে লাগে যে আমি জন্ম নিবন্ধন করবো?

স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে- পাসপোর্ট, বিয়ে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, ট্রেড লাইসেন্স, গাড়ীর লাইসেন্স, ব্যাংক হিসাব খোলাসহ বিভিন্ন ধরণের লাইসেন্স এবং রেজিস্ট্রেশনের জন্য জন্ম নিবন্ধন করাটা প্রয়োজন। 

আবেদন ফরম ডাউনলোড লিংক

যে হাসপাতালে শিশু জন্মগ্রহণ করেছে তার ছাড়পত্র/সার্টিফিকেট লাগবে আবেদন করার জন্য। জন্মের অনেক পরে করতে হলে- জাতীয় পরিচয় পত্র/পাসপোর্ট/এস এস সি সনদের ফটোকপি এবং চারিত্রিক সনদপত্র(চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট ) লাগবে। নিচের লিংক থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন-


অনলাইনে আবেদন করলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের স্ক্যান কপি দাখিল করতে হবে। আবেদনের পরে পাওয়া প্রিন্ট কপি নিবন্ধন অফিসে দাখিল করতে হবে 
বিদেশে জন্ম হলেও জন্ম নিবন্ধন করা যাবে। সেক্ষেত্রে স্থায়ী দেশী ঠিকানায় কিংবা, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে করা যাবে। 

তথ্যসূত্রঃ http://br.lgd.gov.bd/ এবং http://bris.lgd.gov.bd/(এই সাইট দুটি সরকারি ওয়েবসাইট। এখানে নিবন্ধন আর এর আবেদন নিয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন)

Tuesday, July 30, 2019

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি কি?


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্র আছে বলে এটি ভাববেন না যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের মত ওদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। কিভাবে USA তে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয় সেটি জানতে হলে এই লেখাটি পুরোটা পড়ুন।

প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য কি যোগ্যতা লাগে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে কাউকে রাষ্ট্রপতি হতে হলে তাকে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়-
  • স্বাভাবিকভাবে USA তে জন্ম নেয়া কোন নাগরিক
  • কমপক্ষে ১৪ বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতে হবে
  • অন্তত ৩৫ বছর বয়স হতে হবে
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেয়া বলতে এমন কাউকে বুঝায় যে USA এর নাগরিকত্ব নিয়ে জন্ম নিয়েছে, জন্মের পরে নাগরিকত্ব নেয় নি। অন্য দেশে জন্ম নেয়া কেউ রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না, তাঁর পিতামাতা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেও

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি

 'ইলেক্টোরাল কলেজ' নামে একটি পদ্ধতিতে নির্বাচকদের ভোটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে না।
কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করি-

পার্টি কর্তৃক স্টেটে নির্বাচনঃ

৩৪ টি স্টেটে প্রাইমারি ইলেকশন হয় আর বাকি ১৬ টি স্টেটে হয় Caucus. প্রাইমারি ইলেকশনের ক্ষেত্রে পার্টি মেম্বাররা ভোট দিয়ে তাদের স্টেটে পার্টির প্রার্থী নির্বাচন করে। এটিও যেমনটা ভাবছেন তেমনটা সব জায়গায় হয় না। চার রকম প্রাইমারি নির্বাচন হয়- ক্লোজড প্রাইমারি, সেমি ক্লোজড প্রাইমারি, ওপেন প্রাইমারি আর সেমি ওপেন প্রাইমারি। 
বাকি ১৬ টি স্টেটে ককাস হয়। এটি ব্যাখ্যা করা দরকার- এখানে নিবন্ধনকৃত সদস্যরা কোন একটি শহরে একটি মিটিং আয়োজন করে এবং ভোট দিয়ে ইলেক্টোরাল কলেজ সদস্য নির্বাচন করে।

প্রতিটি দলের ন্যাশনাল কনভেনশন

  • যখন প্রাইমারি এবং ককাস শেষ হয় তখন এই নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম রাজনৈতিক দল দুটি জনগণের কাছে ঘোষণা করে
  • এই সম্মেলনে যারা আসে সেইসব নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নিজেদেরকে ভোট দিয়ে কার ভোট বেশী সেটি গণনা করে এবং তারা পার্টির নমিনেশন পায়। 
  • নমিনেশন পাওয়া প্রার্থীরা একই দিনেই তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্ট কে হবে সেটি ঠিক করে ফেলে
এরপর শুরু হয় সাধারণ নির্বাচন। সাধারণত নভেম্বরে নির্বাচন হয়, প্রাইমারি, ককাস এবং ন্যাশনাল কনভেনশনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়ে সাধারণ নির্বাচন হয়।

সাধারণ নির্বাচন

জনগণ প্রেসিডেন্ট বা, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করে না। তারা নির্বাচন করে ইলেক্টর, যারা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। 
  • দেশের প্রতিটি স্টেটে জনগণের ভোটে একজন করে প্রেসিডেন্ট এবং একজন করে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। এছাড়া তারা ইলেক্টোরাল কলেজের জন্যও ভোট দেন। 
  • প্রতিটি স্টেটে এবং ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়াতে এই নির্বাচনের মাধ্যমে ইলেক্টরাল কলেজ গঠিত হয়। জনগণ কার্যত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটার নির্বাচিত করেন এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদের পছন্দের কথা জানানোর সুযোগ পান।
  • কমপক্ষে ২৭০ ইলেক্টোরাল যে পাবে সেই নির্বাচিত হবে। জনগণ যাকে পছন্দ করে তাকে ইলেক্টোরাল কলেজের সদস্যরা ভোট দেয়ার প্রতিশ্রুতি হয়ত দেবে, তবে সে নির্বাচিত নাও হতে পারে। 

ইলেক্টোরাল কলেজ

এই নির্বাচন সাধারণত ডিসেম্বরে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান নির্মাতারা ইলেক্টোরাল ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট চায়, জনগণের প্রিয় প্রার্থী না হলেও চলবে।  
  • ৫০ টি স্টেটের মাঝে ওয়াশিংটন ডিসিতে আছে ৫৫ টি ভোট, মোট ভোট ৫৩৮
  • আবার একটি স্টেটে যদি কেউ জয়ী হয়, সে ঐ স্টেটের সব ভোট পেয়েছে বলে বিবেচিত হয়। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ওয়াশিংটন ডিসির বড় ভূমিকা থাকে
  • অর্ধেক অর্থাৎ ২৭০+ ভোট পেলেই সে নির্বাচিত হয়
যদি কোন প্রার্থী ২৭০ ভোট না পায় সেক্ষেত্রে House of Representative এর সদস্যরা রা ভোট দেয়। 
ব্যাখ্যা নিয়ে সংশয় থাকলে বা, অন্য কোন মন্তব্য থাকলে আমাদের জানাতে পারেন 


তথ্যসূত্রঃ ClearIAS

Sunday, July 28, 2019

চিরতরে খুশকি দূর করার উপায়- আমি যেভাবে করেছি সেটা জেনে নিন


আমি এই বিষয়ের কোন বিশেষজ্ঞ নই, তবে শীতকালে আমার মাথায় প্রচুর খুশকি হত যা আমি চিরতরে দূর করতে সক্ষম হয়েছি। আমার মাথায় যখন খুশকি ছিল তখন আমি কয়েকটি পদ্ধতি নিয়ে বেশ ঘাটাঘাটি করেছি, এরপর একটি পদ্ধতিকে ভালো মনে করেছিলাম এবং সেটি করে এখন পুরোপুরি মুক্তি পেয়েছি।
পেয়াজের রস, শ্যাম্পু, লেবুর রস, টকদই, অলিভ অয়েল, মেথি, ডিমের সাদা অংশ, তেঁতুল ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের সমাধান মানুষের কাছে পাবেন- আমি আসলে জানি না কোনটা কতটা কার্যকরি

খুশকি হওয়ার কারণ কি?

এটি মূলত মাথার লোমকূপে ময়লা জমে হয়। এটাতে ছত্রাকের প্রভাব রয়েছে।মাথার চুলে নিয়মিত শ্যাম্পু করার অভ্যাস যাদের রয়েছে তাদেরও অনেক ক্ষেত্রে খুসকি হতে পারে, সেখানে অন্য কোন কারণে ছত্রাকের আক্রমণ ঘটে বলেই খুশকি হয়। নাকের ছিদ্র, ভ্রু এইসব জায়গায়ও খুসকি হতে পারে- আগে জানতেন কি?

আমি যেভাবে দূর করলাম

প্রথমে বিভিন্ন Anti-Dandruff  শ্যাম্পু ব্যবহার শুরু করেছি। পরে লেবুর রসও ব্যবহার করে দেখেছি , কাজ হয় না। পরে কিটোকোনাজল যুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করে খুসকি থেকে মুক্তি পেয়েছি। দুই বোতল সিলেক্ট প্লাস(এটাতে কিটোকোনাজল আছে) ব্যবহার করার পরে এখন সাধারণ খুসকিরোধী শ্যাম্পু ব্যবহার করছি, কোন সমস্যা নেই। 
বাজারের সাধারণ দোকানগুলোতে খোঁজ করলেই সম্ভবত এই শ্যাম্পু পাবেন, তা না হলে ওষুধের দোকানে খুজতে পারেন

যাদের কিটোকোনাজল যুক্ত শ্যাম্পু(অন্তত ৩ মাস) ব্যবহারের পরেও খুসকি সারছে না তাদের উচিত ডাক্তার দেখানো। 

Saturday, July 27, 2019

ওয়ার্ডপ্রেস কিভাবে শুরু করব বুঝতে পারছি না?


আমি আমার শুরু করার অভিজ্ঞতা থেকে বলি ব্লগস্পটের চেয়ে ওয়ার্ডপ্রেস অনেক সহজ, তাই কিভাবে শুরু করবেন এই চিন্তাটাই বাদ দেন। ফ্রিতে যে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ব্যবহার করা যায় ঐটাতে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, ঐটা দিয়ে বোঝার চেষ্টা না করাই আমার মতে ভালো।

একটি হোস্টিং নিয়ে নিন

যেকোন একটি হোস্টিং কিনে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করে শুরু করে দিন। প্রথমে টাকা দিয়ে হোস্টিং কিনবেন, এরপর Softaculous ব্যবহার করে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল দেবেন, ব্যাপারটা খুব সহজ(ইউটিউব তো আছেই)। 

হোস্টিং কেনার আগে ভালো স্পিড পাবেন কি না সেটা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। Sitegroud, Bluehost এদের হোস্টিং ভালো। বাংলাদেশের ভিজিটর যদি আপনার টার্গেট হয় তাহলে চেষ্টা করবেন বাংলাদেশের ডাটা সেন্টার ব্যবহার করতে- এজন্য Cloudflare বা, বাংলাদেশী ডাটা সেন্টার নিলেই হবে- অনেক ভালো স্পিড পাবেন। Xeonbd এর টা আমি ব্যবহার করেছি, খুব ভালো স্পিড- ওদের সার্ভিসও খুব ভালো(ওদেরটা নিলে BD Data Center নেবেন)। 
 প্রথমে কমদামে হোস্টিং নিয়ে উপরের ভিডিওর মত করে Wordpress ইনস্টল করে, এরপর Dashboard(domain name/wp-admin এ ড্যাশবোর্ড পাবেন) এ সব Theme আর Plug In এর কারসাজি। একটি সুন্দর দেখে থিম নিয়ে নেবেন। আপনার যে ধরণের সুবিধা সাইটে যোগ করতে ইচ্ছা হয় Add Plug in এ গিয়ে সেটা লিখে সার্চ দেবেন, পেয়ে যাবেন। 

আমি যেদিন প্রথম শুরু করেছিলাম, একটি বাজে হোস্টিং এর বিদেশী বাজে ডাটা সেন্টার দিয়ে শুরু করেছিলাম। তবে প্লাগ ইন আর থিম দিয়ে একদিনেই ভালো(দেখতে সুন্দর) একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পেরেছিলাম।
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেস থেকে দূরে থাকবেন কেন, এখনই শুরু করে দিন। এই সাইটটি ব্লগস্পটে তৈরি করা, আমার ওয়ার্ডপ্রেসের সাইটও আছে।  

বাংলাদেশে এডসেন্স থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি কি?


বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় লিখলেও এখন এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া যাচ্ছে এবং এটি থেকে ব্লগাররা আয়ও করছেন, ইউটিউব তো রয়েছেই। বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স থেকে টাকা তোলার ব্যাপারটা এই কারণেই উপস্থাপন করলাম যে, অন্যান্য দেশের মত অনেকগুলো অপশন বাংলাদেশে নেই।

কি কি উপায়ে বাংলাদেশে বসে এডসেন্স এর টাকা পাব

দুটি পদ্ধতিতে এডসেন্স বাংলাদেশে টাকা দেয়-
  1. ব্যংক চেক
  2. ব্যাংক ট্রান্সফার(Wire Transfer)
যারা কম্পিউটার ব্যবহার করছেন তারা বামাপাশে Payments নামে একটি অপশন পাবেন। সেটি সিলেক্ট করলে ডানপাশে দেখতে পাবেন How you get paid. সেখান থেকে Manage Payment Method এ গিয়ে সেখান থেকে আবার Add Payment method এ যাবেন। 

যারা চেকে টাকা নিতে চান তাদেরকে শুধু ঠিকানা দিলেই হয়। তবে ব্যাংক একাউন্টে টাকা নেয়াটাই ভাল(চেক ভাঙ্গানোর সমস্যা আছে)। যেকোন ব্যাংক একাউন্টে টাকা নেয়া যাবে, তবে বেসরকারী ব্যাংকগুলোতে দ্রুত টাকা আসে। 
যারা আমার মত গরীব, ব্যাংক একাউন্ট নেই কিন্তু ডাচ  বাংলার মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট রকেট আছে তারাও রকেটের মাধ্যমে এডসেন্সের টাকা আনতে পারবেন, বিকাশে সম্ভবত পারবেন না- কারণ ওরা ব্যাংক একাউন্ট দেয় না।
রকেটের মাধ্যমে টাকা পেতেও Wire Transfer এ গিয়ে ব্যাংক একাউন্ট যার নামে তাঁর নাম, একাউন্ট নাম্বার, SWIFT Code এগুলো সব দিতে হবে। SWIFT Code কি দেবেন এটি নিয়ে সংশয় থাকলে পার্শ্ববর্তী ডাচ বাংলার ফাস্ট ট্রাকে গিয়ে শুনে আসতে পারেন।  

বাংলাদেশী চ্যানেলের জন্য সেরা ইউটিউব MCN কোনটি?


ইউটিউব MCN বলতে অনেকগুলো ইউটিউব চ্যানেলের একটি নেটওয়ার্ক বুঝায়। MCN শব্দের পূর্ণরূপ হচ্ছে Multi Channel Network. এগুলো অনেকগুলো ইউটিউব চ্যানেলকে যুক্ত করার কাজ করে। ইউটিউব সমর্থিত পদ্ধতিতে এই নেটওয়ার্কগুলো চ্যানেলের মালিকদের কিছু সুবিধা দেয় এবং বিনিময়ে তারা আয়ের কিছু অংশ নিয়েও যায়।

কিভাবে এমসিএন এ জয়েন করবো?

যদি আপনি কোন MCN এ জয়েন করতে চান তাহলে তাদের শর্ত পূরণ করতে হবে। আপনার চ্যানলে স্ট্রাইক থাকলে বা, ইউটিউব Monetization অন না করা থাকলে এগুলোতে জয়েন করা যায় না। ১০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং বিগত ৩৬৫ দিনে  কমপক্ষে ৪০০০ ঘণ্টা ভিউ না থাকলে মনিটাইজেশন অন হয় না। এইসব চ্যানেল চাইলেও জয়েন করতে পারবে না।
যারা অলরেডি গুগোল এডসেন্স এর হোস্টেড একাউন্টের মাধ্যমে চ্যানেলের ভিডিওগুলোতে এড দেখাচ্ছেন শুধু তারাই জয়েন করতে পারবেন। 

বাংলাদেশীদের জন্য  সেরা MCN কোনটি?

অনেক দিন আগে দেখেছিলাম Yoola এবং Scalelab এর শর্তই শুধু বাংলাদেশীরা পূরণ করে ওদের কাছ থেকে টাকা পেতে পারে। বাংলাদেশী যাদের Payoneer একাউন্ট আছে তারা Payoneer এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন, সর্বনিম্ন ২০ ডলার হলেই ওরা টাকা দেবে।  Scalelab বেশ পুরনো এবং পরিচিত, ওদের সাথে যুক্ত হলে কিছু সুবিধা পাবেন-
  • কিছু প্রিমিয়াম এপ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন যা, আপনার চ্যানেলকে দ্রুত বেড়ে উঠতে সাহায্য করবে
  • Content ID পাবেন, যারা মাধ্যমে অন্য চ্যানেলে আপনার কষ্ট করে তৈরি করা ভিডিও আপলোড ঠেকাতে পারবেন, এবং তারা আপলোড করলেও টাকাটা আপনি পাবেন
  • ফোরামে বড় বড় ইউটিউবারদের কাছ থেকে সমস্যার সমাধান জেনে নিতে পারবেন
এইসব সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে লাভবান হবেন, আর চুপচাপ বসে থাকলে আপনার আয়ের একটা অংশ ওদের দিয়ে আপনার লস হবে। প্রিমিয়াম এপ আর কনটেন্ট আইডির জন্য সবাই জয়েন করে এবং তাদের লাভটাই বেশী হয়-


তাদেরকেই জয়েন করতে বলবো যাদের চ্যানেলে ভালো পরিমাণে সাবস্ক্রাইবার এবং ভিউ আছে সেই সাথে Monetization ও অন করা আছে। এপগুলো ব্যবহার করে সোশ্যাল শেয়ার, সাজেশন, সুন্দর আউট্রো বানানোর ফ্রেম এরকম কিছু জিনিস পাওয়া যাবে। অন্য দেশে ওদের স্টুডিওতে গিয়ে ভিডিও বানানোর সুযোগ পাওয়া যায়, বাংলাদেশে সেটা আপাতত সম্ভব না। 

বর্তমান ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান আউট কত উপায়ে হতে পারে?


দশ বলব নাকি এগারো ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। লন্ডনভিত্তিক বিবিসি ইউকে এবং উইকিপিডিয়া বলছে ১০ প্রকার আউট। আবার Sportzwiki নামে একটি ওয়েবসাইট বলছে ১১ রকমের আউট আছে, ওরা পরে উল্লেখ করে দিয়েছে যে, হাত দিয়ে বল ধরার আউটকে এখন Obstructing the field হিসেবে ধরা হয়। 
চলুন আউটগুলো এক নজরে দেখে নেয়া যাক-

  1. বোল্ডঃ বোলারের বল যদি স্ট্যাম্পে আঘাত করে এবং তাতে বেল স্ট্যাম্পের উপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তাহলে বোল্ড আউট হিসেবে গণ্য হবে।
  2. কটঃ এটিও আবার তিন প্রকার। কট বিহাইন্ড, কট এন্ড বল্ড, কট বাই ফিল্ডার।
  3. স্ট্যাম্পডঃ বল খেলার সময় ব্যাটসম্যান ক্রিজ ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে গেলে উইকেট কিপার উইকেট থেকে বেল বিচ্ছিন্ন করতে পারলেই ব্যাটসম্যান স্ট্যাম্পড হবে।
  4. দুইবার বলে হিট করাঃ ক্রিকেট খেলায় ব্যাটিং করার সময় এক বলে দুইবার হিট করলে আউট হবে। এক্ষেত্রে হাত বা, অন্য যেকোন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিয়ে বলে আঘাত করলেই নিয়ম অনুযায়ী ব্যাটসম্যান আউট হবে।
খেলা দেখতে চান যারা, তারা এখানে গাজী টিভি লাইভ দেখতে পাবেন। এখন বাংলাদেশ-শ্রীলংকা সিরিজের খেলা চলছে। দেখতে পাবেন
  1. হিট উইকেটঃ ব্যাটিং করা বা, রান নেওয়ার সময় কোন ব্যাটসম্যান স্ট্যাম্পে হিট করলে সে হিট আউট বলে গণ্য হবে। 
  2. মাঠে অন্য খেলোয়াড়কে বাধা দেয়াঃ মাঠে কোন ব্যাটসম্যান ফিল্ডারকে ইচ্ছা করে বাধা দিলে সে আউট বলে গণ্য হবে। 
  3. টাইমড আউটঃ ওয়ানডেতে ৩ মিনিট এবং টি-টুয়েন্টিতে ৯০ সেকেন্ডের মাঝে একজন আউট হওয়ার পরে নতুন কোন ব্যাটসম্যান না আসলে সে আউট হবে। 
  4. এলবি ডব্লিউ: স্ট্যাম্পের লাইনে বা, অফ স্ট্যম্পের বাইরের কোন বল ব্যাটে না লেগে প্রথমে ব্যাটসম্যানের শরীরে আঘাত করলে সেই বলের গতি স্ট্যাম্প বরাবর হলে ব্যাটসম্যান আউট হবে। বর্তমানে রিভিউ এর ক্ষেত্রে আম্পয়ারের সিদ্ধান্তের কারণে এর কিছুটা ব্যাত্যয় ঘটে। 
  5. রান আউটঃ  ব্যাটসম্যানের রান নেয়ার সময় কোন ফিল্ডার স্ট্যাম্প থেকে বলের মাধ্যমে বেল বিচ্ছিন্ন করতে পারলে রান আউট হবে। 
  6. রিটায়ার্ড আউটঃ আম্পায়ারের অনুমতি ছাড়া কোন খেলোয়াড় মাঠ থেকে ইনজুরি বা, অন্য কারণে বেরিয়ে গেলে সে আউট হবে। আবার, তাঁর ব্যাটিং এ আসার ক্ষেত্রে বিপক্ষ দলের ক্যাপ্টেনের একটা ভূমিকা আছে। 
ক্রিকেটে যত প্রকার আউট আছে সবগুলো নিয়মিত দেখা যায় না, আবার কিছু ক্ষেত্রে খেলোয়াড়ের আবেদন ছাড়া আম্পায়াররা কিছু আউট দেন না। 
আরো পড়ুনঃ


আমাদের দেয়া তথ্য নিয়ে আপনার মনে কোন প্রশ্ন বা, বিতর্ক উকি দিতেই পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের সাথে সেটি নিয়ে কথা বলতে পারেন, আপনার যুক্তি আমরা শুনতে চাই।  

Friday, July 26, 2019

সাধারণ জ্ঞান পড়ে হয়ে উঠুন অসাধারণ


সাধারণ জ্ঞান বলতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের বিশেষ জ্ঞানের বদলে অনেক বিষয় সম্পর্কে সাধারণ ধারণাটুকু থাকাকে বুঝায়। বিসিএস পরীক্ষা বা, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিষয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষা নেয়া হয়। এক্ষেত্রে দুটি ভাগে সাধারণ জ্ঞানকে ভাগ করা হয়-

  • বাংলাদেশ বিষয়াবলি
  • আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
বাংলা, ইংরেজী, সাহিত্য, ইতিহাস সবকিছু সম্পর্কে ধারণা থাকাটাকে যেহেতু GK বা, General Knowledge নামে আমরা অভিহিত করে থাকি তাই সেগুলো নিয়েই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে

৪১ তম বিসিএস  এর প্রিলি টিকতে চান বা, ব্যাংকের পরীক্ষায় ভালো করতে চান আপনার অবশ্যই সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো এবং আমাদের দেশের জন্য গুরত্বপূর্ণ অতীতের কোন ঘটনা, আন্তর্জাতিক সংগঠন, ভূ-রাজনীতি, পরিবেশ এগুলো নিয়ে ধারণা থাকতেই হবে। 
সরকারি চাকরি করতে হলে নিজের দেশ সম্পর্কে একটু বেশীই জানা লাগে। দেশের ইতিহাস, স্থাপনা, চলচ্চিত্র, সীমানা, শিল্প, সম্পদ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, সরকারব্যবস্থা, সংবিধান এগুলো না জেনে চাকরি করতে চাওয়াটাও ঠিক না। 
সাধারণ এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার একটি চেষ্টা এখানেও থাকবে। আশা করছি আপনাদের জন্য বিরক্তিকর হবে না।