Custom Search

তাসকিন আহমেদ এবং প্রশ্নবিদ্ধ আইসিসি

তাসকিনের ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া

তাসকিন আহমেদের বোলিং অবৈধ, আইসিসি প্রশ্নবিদ্ধ

আমরা বাংলাদেশীরা যখন ভারত কিংবা, সাউথ আফ্রিকাকে সিরিজ হারাইনি, যখন পাকিস্তান কিংবা নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশ করিনি তখনও আম্পায়াররা আমাদের বিরোধীতা করেছে। অনেক ম্যাচেই ১৩ জনের বিরুদ্ধে খেলে জিততে পারিনি বলে আমাদের মনে হয়েছে। ওয়ানডেতে অনেকবার আমাদের জয়ের সম্ভাবনা অতীতে তৈরি হয়েছিল যেখানে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে শেষ পর্যন্ত ম্যাচগুলো বাংলাদেশের হাতছাড়া হয়ে যায়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে Benifit of doubt ব্যাটসম্যান পায়নি এরকম অনেকবার দেখেছি।

বাস্তবতা কঠিন হলেও সত্যি

নেইমার, মেসি কিংবা রোনালদোর কথাই ভাবুন। রেফারিরা সবসময়ই ওদের একটু বেশীই সুবিধা দেয়। ওরা ফাউল করেছে এটা ভাবার চেয়ে ওদের সাথে ফাউল করা হয়েছে এটা ভাবা রেফারিদের জন্য সুবিধাজনক।  তেমন ক্রিকেটেও শচীন টেন্ডুলকারকে(সেরা বলেই উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করলাম) আউট দেয়ার আগে আম্পায়ার দ্বিতীয়বার ভাবে। অপেক্ষাকৃত শক্তিশালীরা এমনিতেই একটু বেশী সুবিধা পায়। সাকিব পায়না, এশিয়া কাপে দেখেছিলাম।

প্রথম আলোর লেখার উপর ভিত্তি করে

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিকে যা লেখা হয়েছে সেই অনুসারে-
স্টোক ডেলিভারির ক্ষেত্রে বোলারের একশন অবৈধ হলে, তাকে নিষিদ্ধ করা হয়। তাসকিনকে বলা হয়েছিল পরপর কয়েকটি বাউন্সার দিতে, সেক্ষেত্রে হাত বাঁকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এরপর তাসকিনের বাউন্সারগুলোর ভিত্তিতে তাসকিনের বোলিং একশন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। নিয়ম হচ্ছে যেগুলো সন্দেহজনক মনে হয়েছে সেই রকম বোলিং করতে হবে।

এর আগে বাংলাদেশের কোচ চণ্ডিকা হাতুরুসিংহে প্রশ্ন তুলেছিলেরন আম্পায়ারদের সততা নিয়ে। আগেও তাসকিন, সানি বোলিং করেছে তখন তো কোন আম্পায়ার অভিযোগ করেনি। বিশ্বকাপে এসেই প্রশ্ন তুললেন।

তিন মোড়লের কারণে কিংবা আইসিসির কারণে সারাবিশ্বে ক্রিকেট ছড়িয়ে পড়ছে না। ক্রিকেটকে ফুটবলের মত না ছড়িয়ে কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা আমাদের মত সাধারণ ক্রিকেটামোদী দর্শকের কাছে আইসিসিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে। ক্রিকেটবোদ্ধা বলে যারা পরিচিত তারাও আইসিসির সিদ্ধান্তগুলোকে সঠিক বলে মনে করছেন কি?


0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন