আপনার লেখা,ছবি বা ভিডিও tutorialsbangla@yahoo.com এ ই-মেইল করুন, দ্রুত প্রকাশ করা হবে

সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০১৬ ১১:২৮ pm

বাংলা সিনেমার কাহিনী এবং শেষ দৃশ্য | বিসিএস ইংরেজী

নাটকীয় অভিব্যক্তি
photo credit: Kellie Nicholson, Los Angeles


চারটি শব্দ আজকে শিখতে যাচ্ছি। বেশী বেশী বাংলাদেশী বাংলা সিনেমা দেখুন। আজকে আলোচিত দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শব্দ দুটিকে বাংলা সিনেমার সাথে Relate করে সহজে মনে রাখতে পারবেন। শুরুতেই একটা সন্দিহান হওয়ার মত বিষয়ের ব্যখ্যা দেই- শেষ দৃশ্য আর ক্লাইম্যাক্স কিন্তু এক না। ক্লাইম্যাক্স গল্পের শুরুতে, শেষে বা, মাঝে থাকতে পারে।


Chronicle: ঘটনা সংঘটিত হওয়ার ক্রম অনুসরণ করে তৈরি রেকর্ডকে বলা হয় Chronicle. সাধারণত সংবাদপত্রের নামানুসারে এটার নামকরণ করা হয়- যেমন The Daily Star Chronicle. সাহিত্যের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়।

Climax: গুরুত্বের ক্রমানুসারে সাজানো ঘটনাপ্রবাহকে Climax বলা হয় যেখানে কম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে ক্রমান্বয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দিকে যাওয়া হয়। বাংলা সিনেমা থেকে এর উদাহরণ খুজে পেতে পারেন, কারণ প্রতিটা সিনেমাতেই অনেকগুলো ক্লাইম্যাক্স থাকে।

Denoument: Denoument একটা ফ্রেঞ্চ(French) শব্দ, এটার মাধ্যমে কোন ঘটনার ইতি টানাকে বোঝানো হয়। নাটক কিংবা কোন কল্পকাহিনীর একেবারে চুড়ান্ত দৃশ্য যেখানে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, সব জট খুলে যায়, কাহিনী যখন পূর্ণতা পায় ঠিক তখনকার দৃশ্যটাই হচ্ছে Denoument.

DIction: এই শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন Dictio(past participle) থেকে যার present form হচ্ছে dicero(অর্থ কথা বলা). কিছু নির্বাচিত শব্দ প্রকাশভঙ্গীর মাধ্যমে কার্যকারি, যথার্থ ও স্পষ্টভাবে কথা বলে বা, লিখে যখন প্রকাশ করা হয় সেটাকে বলা হয় Diction.

ঘটনাপ্রবাহ, চুড়ান্ত রুপ, শেষ দৃশ্য এবং শব্দচয়ন- এই চারটি শব্দপ্রকাশক ইংরেজী সাহিত্যে ব্যবহৃত শব্দ শেখাই আজকের প্রাপ্তি।

শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৬ ১০:০৫ am

যদি মেয়েটার সাথে ২৫ সেকেন্ড কথা বলতে পারি তবে ২৫ টাকা দিবে


লাজুকতার ছায়া ছেয়ে থাকে সবসময়।লজ্জা পাচ্ছি কি পাচ্ছি  না তা নির্ভর করে মাধ্যমের পরিস্থিতির উপর। ক্লাস সেভেন কি এইটে পড়তাম, যে ললনাকে পছন্দ করতাম  তার পিছে আরো ছয় সাতজন লেগে থাকতো।ব্যাপারটা এমন হয়ে গিয়েছিলো যে, অন্যের নজর করা লভ্যাংশের উপর নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। এটা কিন্তু অনেক কষ্ট সাধ্য কাজ বটে মহাশয়!!

মেয়েদের সাথে তখন কথা বলা শুরু হয়নি, ঐযে বললাম, লজ্জায় গাল লাল হয়ে যেতো আর ভয়ে কলিজা  শুকিয়ে যেতো।
বন্ধুরা বিষয় টা জানতো, ওরাও ক্ষেপাইতো ইচ্ছা করেই। একদিন এক বন্ধু আমার সাথে বাজি ধরে ফেললো। যদি সেই মেয়েটার সাথে ২৫ সেকেন্ড  কথা বলতে পারি তবে ২৫ টাকা  দিবে!!!  আমিতো খুশিও হচ্ছিলাম আবার ভয় ও পাচ্ছিলাম। নতুন অভিজ্ঞতা বলে কথা। ব্যাটা নিশ্চয় জানতো আমার মতো পোলার দ্বারা এটা সম্ভব নয়। তাই এ খেলা খেলছে বোধহয়! :(
টাইম এলো, টিফিন পিরিয়ড চলছে। মেয়েটা ক্লাসেই বান্ধুবীদের সাথে গপশপ করতেছিলো। আমাকে সাহস জোগান দিচ্ছিলো কতিপয় সুসময়ের বন্ধু। আমি এগিয়ে গেলাম... ভয় পাচ্ছি.. পিছু হাটলাম... আবার বন্ধু মানুষ সকল সাহস জোগান দিলো। আমি আবার এগিয়ে গেলাম। ডি বক্সের ভেতরে ঢুকে গেলাম...
- নীলিমা (ছদ্মনাম), একটু এদিকে আসোতো।
-হুম বলো।
- না মানে ( বন্ধুদের দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাম, ব্যাটারে হাসাহাসি করতেছে। কত্তোবড় ফাজিল,!!  ভাবা যায়???) 
- হুম বলো কি বলবে।
- লিমন(ছদ্মনাম) এর বাড়ি কি তোমাদের বাড়ির আশে পাশেই??
-হুম কেনো??
- না মানে, ওর সাথে দেখা হলে বলো তো আমার সাথে একটু দেখা করতে। 
- আচ্ছা  বলবোনে।
-আচ্ছা  আসি তাইলে।
পা কাপাকাপি কেন??লাফালাফিও শুরু করে দিচ্ছিলো। কোন মতে কথা শেষ করে বন্ধুদের নিকট গেলাম।অতঃপর শুনিতে পাইলাম, কথা বলার ডিউরেশন হয়েছিলো মাত্র ১৮ সেকেন্ড!!!  আর মাত্র সাত সেকেন্ড  কথা বললেই ২৫ টাকা পেয়ে যেতাম ।
সাত সেকেন্ডের আফসোস এখনো জ্বালায় আমাকে। সে এক কঠিন জ্বালা।

লেখক: মাহবুব সিয়াম

শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৬ ২:০৭ pm

পড়ালেখার সময় আর অন্য দিকে মন যাবেনা কথা দিলাম!!!


যা যা করতে হবে--------

1-পড়ার আগে চিন্তা করে নিতে হবে আমি কত সময় পড়বো
2-তার পর ভাগ করে নিতে হবে প্রতিটা সাবজেক্ট কতো সময় পড়বো
3-পড়ার সময় মোবাইল কাছে রাখা যাবে না
4-পড়ার সময় পাশে পানি রাখুন যদি ঘুম আসে তাহলে একটুখানি চোখে দিয়ে নিন
5-পড়ার টেবিলের উপর যে বই পড়বেন সেই বই ছাড়া আর কিছু রাখবেন না
6-একটু ঢোলা কাপড়-চোপড় পরে পড়তে বসুন
7-বইয়ের দিকে তাকিয়ে পড়ুন
8-পড়ার সময় কিছু খাবেন না
9-পড়ার সময় যা কিছু মনে আসবে একটা কাগজে সব লিখে রাখুন 
10-পড়ার সময় ফ্যান মধ্যম গতিতে চালান

পরামর্শদাতাঃ আবদুল্লাহ আল মাহফুজ

শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৬ ২:৫৭ am

তোরা যে সব খারাপ মানুষ, ভাল হবি কবে


 
 অসাধারণ এই কবির দুর্দান্ত কবিতাটি আপনাদের জন্য তুলে দিচ্ছি কবির নিজের মত করে-

আমি বাস্তব কবি সৈয়দ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম Direction Grammer Society, আমার সাড়ে চাইর হাজার কবিতা। আমার পরথম কবিতা হল-


 তোরা ভাল হবি কবে

তোমরা যারা সব সময়ে করছ দেশের ক্ষতি,
অনিয়মে অধিক আয়ে হচ্ছ কোটিপতি।
দুর্নীতি ঘুষ চাঁদাবাজি কর তোরা চালান, 
শূন্য ভিটায় গড়ছ যারা বিলাসবহুল দালান।
কৌশলেতে মারছ বসে জনগণের টাকা,
কথায় বুঝি ভাল মানুষ, কাজের বেলায় ফাঁকা।
আমরা দেশের আমজনতা, বলছি মোরা সবে;
তোরা যে সব খারাপ মানুষ, ভাল হবি কবে।



পড়ে বা, শুনে ভাল লাগলে অন্যদের সাথে শেয়ার করতে ভূলবেন না। সামাজিকভাবে স্বীকৃত কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা, দলকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে এই লেখাটি প্রকাশ করা হয়নি। এক্ষেত্রে কবির নিজস্ব বাস্তবসম্মত সমাজভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে। ভাল লাগা বা, মন্দ লাগা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত এবং কবিতাটির কৃতিত্ব কবির।

সূত্রঃ চিত্রনায়িকা, মডেল এবং অভিনেত্রী প্রসূন আজাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার হওয়া "মাহবুব হোসাইন রুদ্র" নামের এক ভদ্রলোকের আপলোড করা ভিডিও। 

মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬ ৭:৩৪ am

টুথপেস্ট দিয়ে দাত মাজলে কি রোজা ভাঙে

ছবি তুলেছেন Dutchland এর J. Koetter
(উল্লেখ্য, ছবিটি নেয়া হয়েছে Pixabay থেকে, এবং J.Koetter এর তোলা ছবিগুলোর মধ্য এটি একটি অন্যতম জনপ্রিয় ছবি। আপনি চাইলে আপনার তোলা ছবিও আমাদের কাছে পাঠাতে পারেন)

সরাসরি কোন হাদিসে বা, কোরআনে টুথপেস্ট বা, টুথব্রাশ সম্পর্কে কোনকিছু বলা হয়নি তবে, রোজা ভাঙ্গার এবং মাখরুহ হওয়ার যে কারণগুলো রয়েছে সেগুলো থেকে এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। বিশিষ্ট আলেমরা রোজা রেখে অর্থাৎ, দিনের বেলা টুথপেস্ট দিয়ে দাত মাজাকে নিরুৎসাহিত করে থাকেন এর স্বাদের কারণে।

আর স্বাদ গ্রহণ যেহেতু রোজার উদ্দেশ্য পরিপন্থি তাই এটা রোজা রেখে না করাই শ্রেয়। নিমের মাজন, টুথপেস্ট এবং যেগুলোতে স্বাদ বোঝা যায় সেগুলো দিয়ে দাত মাজা বা, মুখের ভেতর না নেয়াটাই যৌক্তিক। তবে, মেসওয়াক ব্যবহার করা যেতে পারে। আর, টুথপেস্ট এবং টুথব্রাশ ব্যবহার সুবিধাজনক ও উপকারী বলেই আমরা আধুনিকতার সমর্থকেরা এটাতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। 

রোজার দিনে, সেহরির সময় শেষ হওয়ার আগেই দাতব্রাশ করে ফেলবেন। তাতে করে, আপনার রোজার উদ্দেশ্য আর ব্যহত হবে না। রোজা রেখে দাতব্রাশ করতে গিয়ে টুথপেস্ট যেন কন্ঠনালীর ভিতর দিয়ে প্রবেশ না করে সেটা খেয়াল রাখবেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০১৬ ২:৪৮ am

ভৌতিক ঘটনা- চৌরাস্তার মোড়ের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

বাস্তব জীবনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা

চৌরাস্তার মোড়
লেখকঃ স্বপ্নের পথযাত্রী(Loveless Boy)

আমি ফাহিম, পেশায় ব্যাংকার। আমি অগ্রনী ব্যাঙ্কের একটি শাখায় কাজ করি। বছর দুএক আগে ট্রান্সফার নিয়ে এসেছি,আমি আগে যেখানে ছিলাম এখন সেখানকার একটা ঘটনা বলবো। প্রায় ২বছর আগের কথা, আমি যে বাসায় থাকি সেখান থেকে আমার অফিস ১০ মিনিটের রাস্তা,আমার বাসা থেকে বেরিয়ে সোজা রাস্তা ধরে হেটে যেতে হয় সামনেই চৌরাস্তার মোড় ডানদিক দিয়ে গেলেই একটু সামনেই আমার অফিস। আমি যেই চৌরাস্তার মোড়ের কথা বলেছি এই  জায়গাটিতে সমস্যা আছে এর কারণ হলো চৌরাস্তার মোড় হওয়ায় এখানে প্রায়ই একসিডেন্ট হয় আর অনেকে মারাও যায় আর মৃতদের আত্মা নিয়েই সব সমস্যা,লোক মুখে শুনেছি তাদের আত্মা এখানে ঘুরে বেরায়। তাই সন্ধ্যের পর সচরাচর  কেউ এই রাস্তা দিয়ে তেমন একটা যাতায়াত করেনা, আমার  অফিসও ৫ টার পর ছুটি হয়ে যায় তাই ঐ রাস্তা দিয়ে আসতে তেমন কোন অসুবিধা হয়না। 

এই রাস্তায় ঘটেছে এমন অনেক ভৌতিক কাহিনি শুনেছি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটা ঘটনা গত সপ্তাহে ঘটেছে, গত সপ্তাহে এখানে একটা ট্রাক একসিডেন্ট করে। ট্রাকের হেল্পার মারা যায় কিন্তু ভাগ্যক্রমে ড্রাইভার বেচে যায়,তার মুখ থেকে পরের দিন শুনা যায় তার একসিডেন্ট করার কারণ হল একটা বাচ্চা সে রাত প্রায় ৯টার দিকে সে ট্রাক নিয়ে যাচ্ছে,চৌরাস্তার কাছে এসে দেখে একটা বাচ্চা রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে,তার চোখ দিয়ে আগুন জ্বলছে। ড্রাইভার ভয়ে ট্রাক থামায়,থামানোর পর বাচ্চাটার উচ্চহাসি সে শুনতে পায়,তার হেল্পার বলে উস্তাদ উপর দিয়ে চালিয়ে দেন। হেল্পারের কথা শুনে চালাতে গিয়ে কি যেন হয়ে গেল আর সে ভেবেই পায়নি হঠাৎ করে সব উলট পালট হয়ে যায় আর তার ট্রাক উল্টে যায়। 


রকম আরও অনেক ঘটনা এখানে ঘটেছে, আমি এইসব কে এতটা বেশি গুরুত্ব দেইনি কারণ সন্ধ্যার পরে আমার এই রাস্তা দিয়ে চলাচলের তেমন কোন প্রয়োজন হয়না।কিন্তু তারপরও আমার সাথে এই রাস্তায় একটা ঘটনা ঘটেছে,আজকে সেই ঘটনাটি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি-

সেদিন ছিল সোমবার,যথারীতি বিকেলেই অফিস ছুটি হয়ে গেছে কিন্তু সেইদিন ছিল আমাদের এক স্টাফ এর বিবাহবার্ষীকি,তো ওর বাড়িতে সন্ধ্যায় পার্টি ছিল। তাই অফিস থেকে বাড়িতে না এসে সবাই চলে গেলাম ওর বাসায়। ওর বাসাটায় যেতে ঐ চৌরাস্তার মোড় পেরিয়ে যেতে হয়,তখন আর এইসব বিষয়ে তেমন কিছু মনে ছিলনা তাই চলে গেলাম। অনেক্ষণ পার্টি এনজয় করলাম,তখন প্রায় রাত ১০টা বাজে আমি বাসায় ফিরবো,বাসায় ফিরার কথা মনে হতেই মাথায় আসলো চৌরাস্তার মোড়ের কথা। কিন্তু তখন আর ভাবার কোন সময় ছিলনা, অনেকটা বাধ্য হয়েই আসছি চৌরাস্তার দিয়েই। 

মোড়ের অনেক কাছকাছি চলে এসেছি হঠাৎ প্রচন্ড জোরে এক কুকুর ডেকে উঠলো,বুকের ভিতরটা ধ্বক করে উঠেছিল সাহস করে এক মনে অন্যকোনদিক লক্ষ্য না করে সোজা হেটে চলছি,মোড়ে পৌছে গেছি এবার হাতের ডানদিকের রাস্তাদিয়ে যেতে হবে। আমি ডানদিকে ঘুরবো এমন সময় এক বুড়িকে দেখতে পেলাম আমার সামনে সে আমাকে বললো,'বাবা ফাহিম, তোর বাসা তো এদিকে নয় তোর বাসা তো বামদিক দিয়ে যেতে হয়'। 

আমি অনেকটা সম্মোহিত হয়ে গেলাম কিন্তু সবকিছু আমার এখনো মনে আছে যদিও সম্মোহিত হলে কারও কিছু মনে থাকেনা,আমি বুড়ির কথায় একমত হয়ে গেলাম,আমার মনে হল বুড়ি ঠিকই বলছে তখন আমি বামদিকে চলে গেলাম আবার বুড়ি আমাকে বলছে,'ফাহিম না এদিকে না পাশের রাস্তা দিয়ে তোর বাড়ি'। আমি আবারো এর পাশের রাস্তাটায় ঘুরে গেলাম আমি এই রাস্তায় প্রবেশ করলাম ঐ বুড়ি বললো,'হ্যা ঠিক আছে এবার এই রাস্তা দিয়ে সোজা হেটে চলে যা'। আমি সোজা হাটতে লাগলাম বুড়িও আমার পিছে পিছে আসতে লাগলো,এই অবস্থাতে আমার ভয় পাওয়ার কথা ছিলো কিন্তু আমি একদম স্বাভাবিক ভঙ্গিতে চলতে লাগলাম যেন আমি কোন একটা রোবট আর আমাকে ঐ বুড়ি নিয়ন্ত্রণ করছে। এই রাস্তা দিয়ে কিছুক্ষণ যাওয়ার পর সামনে একটা ব্রীজ আসলো,বুড়ি আমাকে বললো,'ফাহিম ঐ ব্রীজের রেলিংয়ে উঠ'। আমি বাধ্য ছেলের মতো ব্রীজের রেলিংয়ে উঠে গেলাম,এবার বুড়ি আমাকে বলল,'এবার নিচে লাফ দে'। আমি এবার দোটানায় পরে গেলাম আমার মন একদিকে বলছে ফাহিম না,না লাফ দিসনা তাহলে তুই শেষ,আবার আরেকদিক থেকে মন বলছে ফাহিম দেরি করিস না তারাতারি লাফ দে, দেখ বুড়ি মা তোর জন্য নিচে অপেক্ষা করছে তুই লাফ দিলে সে তোকে ধরে ফেলবে তোর কোন ক্ষতি হবেনা। আমি দেখলাম সত্যিই বুড়ি নিচে অপেক্ষা করছে,আমি নিজে নিজে বললাম হ্যা ঠিকই তো আছে নিচে বুড়ি দাঁড়িয়ে আছে লাফ দিলে কিছুই হবে না। আমি সোজা নিচে লাফ দিলাম,লাফ দেওয়ার পর আমার জ্ঞান এল,আমি দেখলাম নিচে বুড়ি উচ্চস্বরে হাসছে তার চোখ দুটি টগবগ করছে।

 আমি ধপাস করে পানিতে পড়লাম বুড়ি আমাকে চেপে ধরলো আমি আমার প্রাণপ্রনে বাচার জন্য চেষ্টা করতে লাগলাম,বুড়ি আমাকে চেপে পানির নিচে ধরে রাখলো। আমি কোনমতে মাথা পানির উপরে তুললাম তখন আজানের ধ্বনি শুনতে পেলাম। বুড়ি আমাকে ছেড়ে দিয়ে চিৎকার করে চলে গেল,আমি প্রাণপ্রনে চিৎকার করে সাহায্য চাইতে লাগলাম দেখলাম আমার দিকে একটা নৌকা এগিয়ে আসল,ফজরের সময় এক জেলে মাছ ধরার জন্য বের হয়েছিল সে আমাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসলো। আমি নৌকায় উঠলাম। 

যদিও আমার কাছে লেগেছিলো পুরো ঘটনাটি মাত্র কয়েক মিনিটে ঘটে গেছে কিন্তু আমি সারারাত শহরে হেটেছি আর শেষরাতে ব্রীজে এসেছি আমার ভাগ্য ভাল তখন আযান দিয়েছিল না হলে আজকে হয়তো আমি আপনাদের মাঝে থাকতাম না। এই ঘটনার পরে আমার প্রচন্ড জ্বর হয় প্রায় দুইদিন পর আমি সুস্থ হয়ে উঠি । আমি ঐ এলাকা থেকে এই ঘটনার কিছুদিন পরেই ট্রান্সফার নিয়ে চলে আসি। এই ছিল আমার চৌরাস্তার মোড়ের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা

শনিবার, ২৮ মে, ২০১৬ ১:০৪ pm

রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক যখন কন্যা সন্তানের পিতা


মাননীয় রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক যখন বিয়ে করেছিলেন তিনি সব সংবাদমাধ্যম আর প্রিন্ট মিডিয়ার জামাই হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। মনে হচ্ছিল যেন তিনি সবার বাড়ীর জামাই হচ্ছেন, বিয়েবাড়ির আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে যেমন জামাই(মেয়েবাড়িতে) থাকেন ঠিক তেমন ছিলেন মাননীয় রেলমন্ত্রী। ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর ৬৭ বছর বয়সে জীবনের প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র বিয়েটি তাকে যে পরিচিতি দিয়েছে বোধকরি সাংসদ নির্বাচিত হওয়া কিংবা, মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণও তাকে ততটা পরিচিতি দিতে পারেনি।

আগ্রহ কি সত্যিই থাকা উচিত ছিল না?

পাড়ার কোন একজন ৬৭ বছর বয়সী একজন চিরকুমার যদি বিয়ে করতে যান সেটা নিয়ে আপনারো কি আগ্রহ জন্মাত না। আগ্রহ না হওয়াটাই তো অস্বাভাবিক, রেলমন্ত্রী জনগণের নেতা। আমরা জনগণ তাকে দেশের সম্পদ মনে করি, সরকারী সম্পত্তির মত তাকে কেন আমাদের ভাবব না? 

অতঃপর একটি কৌতুক 
এক বৃদ্ধ লোক ৮০ বছরের উপরে বয়স, নতুন বিয়ে করেছেন কয়েক বছর হল। তিনি একদিন গিয়েছেন ডাক্তারের কাছে, ডাক্তার সাহেব আমার স্ত্রীর সন্তান হচ্ছে না। ডাক্তার বললেন, কতদিন হল বিয়ে করেছেন, উনি বললেন ২-৩ বছর। ডাক্তার সাহেব বললেন, আপনাকে একটা গল্প বলি- 

"আমাদের গ্রামে একজন লোক ছিলেন যিনি অদ্ভুত সব কাজ করতে পারতেন। লোকটি একদিন ছাতা নিয়ে গেছে জঙ্গলে, সেখানে বাঘ তাকে তাড়া করল। লোকটি  তো ভয়ে মর মর অবস্থা। সে হঠাৎ তাঁর ছাতাটা বাঘের দিকে মেলে ধরল, আর অমনি বাঘটা ছাতা থেকে গুলি বের হয়ে সেই গুলিতে মারা গেল"

এই গল্প শুনে বৃদ্ধ লোকটি বললেন, দূর তাই হয় নাকি। নিশ্চয়ই আড়াল থেকে অন্য কেউ গুলি করেছিল। ডাক্তার বললেন ঠিকই ধরেছেন, আড়াল থেকে অন্য একজন গুলি করেছিল।

পুনশ্চঃ ইব্রাহিম (আঃ)(Abraham) বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের পিতা হয়েছিলেন, এবং তাঁর সন্তান ইসহাক এবং ইসমাইলের বংশধরদের মধ্য থেকেই হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এবং যিশুর (হযরত ঈসা (আঃ)) জন্ম হয়েছিল। পরেরটা ইতিহাস, বর্তমান এবং ভবিষ্যত। ইহুদিরা পুরো বংশটাই ইসহাক (আঃ)(Isaac) এর বংশধর।

মাননীয় রেলমন্ত্রী এবং তাঁর কন্যা সন্তানের জন্য আমাদের শুভকামনা রইল। আশা করি তাকে নিয়ে লোকজনের উৎসাহ এরপর কমতে থাকবে এবং তিনি শান্তিতে দেশের জনগণের কল্যাণের জন্য কিছু করার চেষ্টা করবেন।

সব শেষে দালাই লামার একটি উক্তি- "In order to carry a positive action, we must develop here a positive vision"

মাশরাফি বিন মর্তুজা, Mashrafe Bin Mortaza


সেই ২০০১ সালে মাশরাফি যখন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলা শুরু করে তখন থেকেই আমি মাশরাফির খেলার ভক্ত। বাংলাদেশ দলে তখন সেই ছিল সবচেয়ে দ্রুত গতির বোলার, নড়াইল এক্সপ্রেস। আমার যতদূর মনে পড়ে মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু একসময় বাংলাদেশের বোলিং এর সূচনা করত, আর তার সাথে থাকত মাশরাফি। 

ঐ সময়ে খালেদ মাহমুদ সুজনের লাইন-লেন্থও চোখে পড়ার মত ছিল। এরপর বহুবার সে ইঞ্জুরিতে পড়ে এবং যোগ্য বিকল্পের অভাবে ইনজুরি থেকে ফিরেই সম্ভবত পুরোপুরি ফিট হওয়ার আগেই আবার মাঠে নামে। এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে সর্বোচ্চ ৪৯ টা উইকেট নেয়া এই বলার যে সময় পুরোপুরি ফিট ছিল তখন সে বিশ্বসেরাদের একজন ছিল(র‍্যংকিং এবং দলীয় গুরুত্বে)। এখন হয়ত বোলার হিসেবে কখনো কখনো তার ছায়া দেখছি কিন্তু ক্যাপ্টেন হিসেবে বাংলাদেশ দলে সে যোগ্যতম নিঃসন্দেহে।

বাংলাদেশের প্রতিটা জয়েই মাশরাফির অবদান ছিল, early breakthrough এনে দিতে তার চেয়ে ভাল আর কে পারত। অস্ট্রেলিয়ের সাথে সোফিয়া গার্ডেনের যে ম্যাচে আশরাফুল আর হাবিবুল বাশারের ব্যাটিং এর আড়ালে বোলারদের পারফরম্যান্স ঢাকা পড়ে ছিল সেদিন মাশরাফির 3.30 economy rate এ এক উইকেট ছিল। মাহেলা জয়াবর্ধনে একবার বাংলাদেশ সফরে এসে বলেছিলেন মাশরাফি হচ্ছে বাংলাদেশের Unsung Hero. ঐ সফরের টেস্ট সিরিজেই সাঙ্গাকারার মত ব্যাটসম্যানকে অফস্ট্যাম্পের বাইরের দিকে বল ফেলে ইনসুইঙ্গারে আউট করা বলার নিশ্চয়ই সাধারণ মানের নন। 

ভারতীয়রা তাকে বোলার না বলে অলরাউন্ডার বলত। আইপিএলে সাড়ে চার কোটি টাকায় বিক্রি হওয়ার পেছনে কারণ ছিল দুইবার ভারতকে হারানো বাংলাদেশ দলে মাশরাফির ব্যটে বলে জলে ওঠা। চট্টগ্রামের একটা বৃষ্টিবিঘ্নিত টেস্ট ম্যাচে রাজ্জাক আর মাশরাফির ব্যটিং এর কারণে বাংলাদেশ দল জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল(দর্শক হিসেবে আমি তো শুরু করেছিলাম)। ঐ ম্যাচে ম্যাশের চার বলে চার ছয় ছিল(ব্যাটসম্যান হিসেবে) যেটা তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য একটা ঘটনা।

বিশ্বকাপে বাদ পড়া(ফিট না থাকার কারণে-Officially), এই কারণে হরতাল, আন্দোলন, তাঁর কান্না, আবার বিশ্বকাপে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন(ক্যাপ্টেন হিসেবে)। আমাদের জাতীয় ক্রিকেট দলে ভাল পারফরমার থাকা সত্ত্বেও কিসের যেন অভাবে টীম নিয়মিত জিততে পারছিল না, ক্যাপ্টেন হিসেবে মাশরাফির প্রত্যাবর্তন দলকে যেন বদলে দিল। মেধা এবং সামর্থ্যে মুশফিকুর রহিমের কোন কমতি না থাকলেও আমার মনে হয় মাশরাফির আক্রমনাত্মক ক্যাপ্টেনসিই মাশরাফিকে অনন্য করে তুলেছে।  

ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তাসকিন-সানি কান্ডের কারণে দলের মনোবলে কুচক্রী ক্রিকেটীয় ভাগ্যনিয়ন্তার আঘাত হয়ত আমাদের এই বিশ্বকাপ জিততে দেয়নি। ভবিষ্যতের কোন বিশ্বকাপে আমাদের প্রিয় ক্যাপ্টেনের গলায় বিজয়মাল্য শোভা পাবে সেই স্বপ্ন আমরা দেখতেই পারি।

বি.দ্র. কোন তথ্য ভূল হলে শুধরে দেবেন। সব তথ্য পরিক্ষিত নয়, তবে আমার স্মৃতিশক্তির উপর নিজের আস্থা আছে।
দ্বারা প্রস্তুত Blogger.